বিসিএস প্রস্তুতি - কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি | EduaidBD.com


কম্পিউটার পেরিপেরালস

যে সব যন্ত্র কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত থেকে এর কর্মদক্ষতা ও কর্মপরিধি বৃদ্ধি করে তাদেরকে কম্পিউটার পেরিপেরালস বলা হয় । যেমন : মনিটর , কী-বোর্ড , স্ক্যানার , মাইক্রোফোন , লাইট পেন ইত্যাদি । কম্পিউটার পেরিপেরালসকে প্রধানত ৩ ভাগে ভাগ করা যায় । যথা :

১ । ইনপুট পেরিপেরালস

২ । আউটপুট পেরিপেরালস

৩ । ইনপুট - আউটপুট পেরিপেরালস

কম্পিউটারের অঙ্গসংগঠন

সাধারণত কম্পিউটার সিস্মেমের প্রধান অংশ ২টি । যথা : হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার । কম্পিউারের বাহ্যিক অবকাঠামো তৈরির যন্ত্রপাতিকে হার্ডওয়্যার বলে । হার্ডওয়্যারকে হাত দিয়ে স্পর্শ করা যায় । হার্ডওয়্যারকে আবার তিনভাগে ভাগ করা যায় । যথা :

১ । Input - বা ডাটা গ্রহণকারী অংশ ।

২ । Central Processing Unit(CPU) - বা কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ ।

৩ । Output - প্রক্রিয়াকরণের পর প্রাপ্ত ফলাফল ।


ই - কর্মাস

সাধারণত কমিম্পউটার সিস্টেমের প্রধান অংশ ২টি । যথা : হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার । কম্পিউটারের বাহ্যিক অবকাঠামো তৈরির জন্য ব্যবহৃত যন্ত্র সামগ্রীকে হার্ডওয়্যার বলে । Electronic Commerce এর সংক্ষিপ্ত রুপই হচ্ছে ই-কমার্স । ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ইন্টারনেটের মাধ্যমে বাণিজ্য করতে পারেন । অনলাইনে এই বাণিজ্যকে ই- কমার্স বলে । অনলাইনে সামগ্রিক ব্যবসা পরিচালননা এবং ব্যবসার ব্রবস্থাপনাকেই ই - কমার্স বলে ।

কম্পিউটারের ইতিহাস

Computer শব্দের অর্থ গণক বা হিসাবকারী । কম্পিউটারের আবিষ্কারক হলো হাওয়ার্ড আইকিন । কম্পিউটারের জনক হলো চার্লস ব্যাবেজ । আধুনিক কম্পিউটারের জনক হলেন - জন ভন নিউম্যান । বিশ্বের সর্বপ্রথম কম্পিউটার হলো - এবিসি । প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে ভ্যাকুয়াম টিউববিশিষ্ট ইলেকট্রনিক বর্তনীর বহুল ব্যবহার ছিল । কম্পিউটার ব্যবস্থায় দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারে ট্রানজিস্টরের ব্যবহার করা হয় । এই সময় চুম্বকীয় কোর মেমোরীর ব্যবহার ও ম্যাগনেটিক ডিস্কের উদ্ভব হয় । তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিড বা IC ব্যবহার করা হয় । উচ্চতর ভাষার বহুল ব্যবহার হয় । পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটারে বহু বর্তনী বিশিষ্ট এককীভূত বর্তনী ব্যবহার করা হয় । এই প্রজন্মের কম্পিউটারে কৃত্তিম বুদ্ধির ব্যবহার হয় ।

কম্পিউটারের প্রকারভেদ

প্রয়োগক্ষেত্রের উপর ভিত্তি করে কম্পিউটারকে সাধারণত দুইভাগে ভাগ করা যায় । যথা : ১ ) সাধারণ কম্পিউটার ২ ) বিশেষ কম্পিউটার ।

১ ) সাধারণ কম্পিউটার : সাধারণ কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রাসম সংরক্ষিত থাকে । এতে সহজেই প্রোগ্রাম সংরক্ষণ , পরিবর্তন বা মুছে ফেলা যায় । ব্যবহারকারী প্রয়োজনমত ভিন্ন ভিন্ন প্রোগ্রাম চালিয়ে কাজ করতে পারে ।

২ ) বিশেষ কম্পিউটার : বিশেষ কম্পিউটারে কেবলমাত্র একটি বিশেষ বা নির্দিষ্ট কাজের জন্য তৈরি করা হয় । এ ককম্পিউটারে কেকবলমাত্র একটি নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সংরক্ষণ করা থাকে । সংরক্ষিত প্রোগ্রামটি স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ থাকে বলে একে সহজে পরিবর্তন করা যায় না ।

গঠন ও ক্রিয়ানীতির উপর ভিত্তি করে কম্পিউটারকে তিন ভাগে ভাগ করা যায় । যথা :

১ ) অ্যানালগ কম্পিউটার

২ ) ডিজিটাল কম্পিউটার

৩ ) হাইব্রিড কম্পিউটার

কম্পিউটার ভাইরাস

কম্পিউটার ভাইরাস এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাহ , সংক্রমণ ও নিজস্ব সংখ্যা বৃদ্ধি করতে পারে । VIRUS শব্দের পূর্ণরুপ হলো - Vital Information Under Seize . এর নামকৃণ করেন গবেষক ফ্রেডরিক কোহেন । সাধারণত কম্পিউটার ভাইরাস ছড়ায় ফ্লপি ডিস্ক , ফ্লাস ডিস্ক , পেনড্রাইভ , মেমোরী কার্ড ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে । Aids , Bye Bye , Bad Boy , Cinderella , CIH , I Love You এগুলো হলো কম্পিউটার ভাইরাস । CIH কে বলা হয় চেরোনোবিল ভাইরাস । এটিকে মাদার অব অল ভাইরাস ও বলা হয় ।

ডাটাবেজ সিস্টেম

ডাটাবেজ হচ্ছে উপাত্ত বা ডাটার সুগঠিত সমাবেশ যা সহজে ব্যবহার , ব্যবস্থাপনা ও আপডেট করা যায় । ডাটাবেজ কনটেন্ড টেক্সড , সংখ্যা , ছবি ইত্যাদির ভিত্তিতে বিভিন্ন প্রকার হতে পারে । ডাটাবেজ সিস্টেম একটি সফটওয়্যার যা ডাটাবেজে তথ্য প্রবেশ , পরিবর্তন , উদ্ধার ও পরিচালনা করার জন্য ব্যবহৃত হয় । ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম তিনটি উপাদান নিয়ে গঠিত । যথা :

১ ) ডাটা

২ ) ডাটাবেজ ইন্জিন

৩ ) ডাটাবেজ স্কিম ।

অপারেটিং সিস্টেম

কম্পিউটার সিস্টেমে অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে একধরনের প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী কম্পিউটারের অভ্যন্তরে হার্ডওয়্যার বা অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামগুলোর মধ্যে কাজের সমন্বয় সাধন করে । প্রত্যেক কম্পিউটারে অবশ্যই অপারেটিং সিস্টেম থাকবে । অপারেটিং সিস্টেম সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রোগ্রাম যা অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের কাজ করার ফ্লাটফর্ম তৈরি করে । এটি হার্ডওয়্যারের সাথে সমন্বয় তৈরি করে । পিসিতে অপারেটিং সিস্টেম চালু হয় ১৯৭১ সালে

সেলুলার ডেটা নেটওর্য়াক

দুটি চলনশীল ডিভাইস অথবা একটি চলনশীল ও অন্যটি স্থির ডিভাইসের মধ্যে ডেটা এবং তথ্য আদান - প্রদান করার লক্ষে ডিজাইনকৃত সিস্টেমকে মোবাইল টেলিফোন সিস্টেমম বলে । চলনশীল ডিভাইসকে মোবাইল স্টেশন বা মোবাইল ইউনিট বা মোবাইল সেট ও স্থির ডিভাইসকে Land Unit বলে । মোবাইল সেবা প্রদানকারী বা সার্ভস প্রোভাইডার কেক তার আওয়াত্তাধীর এলাকাকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করা হয় । প্রতিটি ভাগকে একটি সেল বলে । সেল ষড়ঋতুককার , বর্গাকার , বৃত্তাককার বা অন্যকোন অনিয়মিত আকারের হতে পারে । যদিও ভুজাকারই প্রথাগত বা প্রচলিত । এই সেল থেকেই সেলুলার ফোন নামে মোবাইল ফোনের আরেকটি নামকরণ করা হয় ।

LAN & WALAN

LAN : স্বল্প দুরত্বে নেটওর্য়াকিকং বা স্বল্প পরিসর জায়গায় অর্থাৎ ১ কিক.মি বা তার কম এরিয়ার মধ্যে কিছু সংখ্যক কম্পিউটার টার্মিনাল বা অন্যকোন পেরিপেরাল ডিভাইস ( যেমন : প্রিন্টার ) সংযুকক্ত করে যে নেটওর্য়াক তৈরি করা হয় তাকে Local Area Network বা WAN বলে ।

WALAN : যে কম্পিউটার নের্টওয়ার্ক অনেক বড় ভৌগোলিক অবস্থান জুড়ে থাকেক তাকে Wide Area Network বা সংক্ষেপে WALAN বলে । সসাধারণত ১০০ কি.মি বা তার চেয়ে অধিক দুরত্বে WALAN ব্যবহৃত হয় । এ ধরনের নেটওর্য়াক দেশব্যাপী বা বিশ্বব্যাপী হয়ে থাকে ।

Wi-Fi & Wi-Max

Wi-Fi : Wi - Fi ( Wireless friendly ) হচ্ছ একটি বিশেষ ধরনের ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওর্য়াকের টার্ম বা ট্রের্ডমার্ক । যেখানে ওয়াইফাই এলাইয়েন্স নামে একটি কমিটি কতৃক পরীক্ষিত ও অনুমোদিত হার্ডওয়্যার ও স্পেসিফিকেশন ব্যবহার করা হয় । এর প্রধান উদ্দেশ্য বিভিন্ন কোম্পানির ওয়্যারল্যাস নের্টওর্য়াকের ডিভাইসগুলো যাতে পরস্পরের সাথে কাজ করতে পারে ।

Wi-Max : World Wide Interoperability for Micro-wave এর সংক্ষিপ্ত রূপ হলো Wi-Max . নামটি ২০০১ সালের জুন মাসে Wi-Max Forum এর সৃষ্টি ।

Smart Phone

আগস্ট ১৯৯৪ , প্রযুক্তিপন্য নির্মাতা ইন্টারন্যাশশনাল বিজনেস মেশিনেস ( IBM ) কর্পোরেশনের তৈরি সিমন ( Simon ) নামের ফোনের মাধ্যমে শুরু হয় স্মার্ট ফোনের যাত্রা । স্মার্টফোন হলো বিশেষ ধরনের মোবাইল ফোন যা মোবাইল কম্পিউটার ফ্লাটফর্মের ওপর প্রতিষ্ঠিত । এ সিমন স্মার্টফোনটি বর্তমানে লন্ডনের বিজ্ঞান জাদুঘরে প্রর্দশিত আছে । মসিমনের ওজন ৫১০ গ্রাম , এর দৈর্ঘ্য ৮ ইঞ্চি ও প্রস্থ ২.৫ ইঞ্চি এবং এই ফোনের পুরুত্ব ছিল ১.৫ ইঞ্চি ।

ইন্টারনেট

ইন্টারনেট হলো বৃহত্তম কম্পিউটার নেটওর্য়াক । টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য কম্পিউটারকে পরস্পর সংযুক্ত করে তাদের মধ্যে যে আন্তঃসর্ম্পক বা যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয় তাই ইন্টারনেট । বিশ্বব্যাপী তথ্য যোগাযোগের অতি আধুনিক নের্টওর্য়াক হলো ইন্টারনেট । ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য প্রয়োজন কম্পিউটার মডেম / টেলিফোন লাইন , ইন্টারনেট সংযোগ , সফটওয়্যার । যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ ‘ অরপানেট ’ গবেষণা প্রকল্পের আওতায় ক্যার্লিফোনিয়া ইউনির্ভাসিটি চারটি মেইনফ্রেম কম্পিউটারের মধ্যে ১৯৬৯ সালের ৭ এপ্রিল যে সংযোগ সাধন করা হয়েছিল সেটিই ইন্টারনেট চালুর প্রথম বছর ধরে নেওয়া হয়েছিল ।

ইমেইল ও ফ্যাক্স

ইমেইল : Electronic Mail কে সংক্ষেপে ই-মেইল বলা হয় । ই - মেইল শব্দটি কম্পিউটারের সাথে সম্পৃক্ত । এটি এক ধরনের দ্রুত ও উন্নত ডাক ব্যবস্থা । ই - মেইল সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যারের সমন্বয়ে গঠিত একটি ডাকসেবা ব্যবস্থা যা তড়িৎগতিতে নিভূলভাবে গন্তব্যস্থলে তথ্য পৌঁছে দেয় । কোন ই - মেইল পাঠাতে অবশ্যই প্রাপকের ঠিকানা লিখতে হয় ।

ফ্যাক্স :

ক্লাউড কম্পিউটিং

ক্লাউড শব্দের অর্থ হচ্ছে মেঘ । ক্লাউড শব্দটি ইন্টারনেটের রূপক হিসেবে ব্যবহৃত হয় । আকাশে যেভাবে মেঘ ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে ইন্টারনেট ও ঠিক তেমনি সর্বত্র জালের মত ছড়িয়ে আছে । ইন্টারনেটের এই মেঘ থেকে সর্বনিম্ন খরচে সর্বোচ্চ সুবিধা পাওয়ার উপায় বের করতে গিয়েই জন্ম হয় ক্লাউড কম্পিউটিং এর । ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টানেট ব্যবহারকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস ভাড়া নেওয়া ।

পেইজটি হালনাগাদ করণের কাজ চলছে ...

RELATED TOPIC :

CONTRACTS US

For our more information please contract us .
  • Gulzar Tower ( 4th ) floor , Chawkbazar , Chittagong .
  • 01787 - 36 92 12
  • info@eduaidbd.com
  • admin@eduaidbd.com
 bcs_preparation